হাসান রশিদুজ্জান বিপ্লব তিনি তার সোশাল মিডিয়াই এক স্টাটাসে লিখেন, আওয়ামী লীগ বহু পথ অতিক্রম করেছে, ক্লান্ত হয় নাই! মানুষের জন্য হাঁটতে হবে তাঁর, পরিশ্রান্ত হবার কোন সুযোগ নাই। তাঁর বলতে হবে, মূক হবার কোন সুযোগ নাই। তাঁর উৎপাদন করতে হবে সম্প্রীতি, সবুজ, সৌন্দর্য ও সংগ্রাম, বন্ধ্যা হবার কোন সুযোগ নেই। লড়তে হবে তাঁর, ঘুমিয়ে দমে যাবার কোন হক্ব তাঁর নাই।
EBDO, জনযুদ্ধ, জলপাই রঙের অন্ধকার, ভয়বহ ও নৃশংসতম হত্যাকান্ডাবলী অতিক্রম করে সমানে সামনে বেড়েছে দলটা। আছাড় খেয়েছে, সটান উঠে দাঁড়িয়ে আবার হেঁটেছে। গুলি খেয়েছে আবার রক্তবীজ হয়ে জন্মেছে, চাষ করেছে, ফলিয়েছে দ্বিগুণ ফসল।
তিনি আরো লিখেন, দলটা টুপি-টিকি-ক্রসের মানুষদের দল নয়। টুপি ও টিকির নীচে মানুষের যে, মাথার খুলি তার ভেতরে যে, মগজ ; ঐ মগজে বিজ্ঞানের চাষ করতে ব্রতী। প্রায়ই পা হড়কেছে, পতিত হয়েছে নিকষ অন্ধকারে। আবার বিজ্ঞানের অমল আলো মেখে নিজেকে করেছে প্রোজ্জ্বল। আমরা বলি দলটা ফুল এবং ফুলও মাটি___ হৃদয় দিয়ে দেখলে দেখা যায়, অনুভব করা যায়।
আওয়ামী লীগের এই নেতা আরো বলেন, দলটাকে সাহস দিয়েছে কৃষক, মগজ দিয়েছে ছাত্ররা, ঘাম দিয়েছে শ্রমিক ও কর্মীরা। তাঁরা জানে, দলটার ভালো সময়ে তাঁদের খোঁজ পড়বে সবচেয়ে কম। তবু তাঁরা আছে দলটার জন্য, মানুষের জন্য। দলটা এখানেই বারবার বাঁচে, ঘুরে দাঁড়ায়। দলটা এক অমল বৃক্ষ, ফলগুলোর মধ্যে কিছু বিকলাঙ্গ, পঁচা-সড়া ও অবিকশিত ফল প্রায়ই থাকে কিন্তু বৃক্ষটা অমল সবুজ।
আমরা ফলাবো সোনার ফসল, আমরা কাটাবো নিকষ অন্ধকার।