
ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন তিন কারাবন্দীর মৃত্যু, ব্যবধান দেড় ঘণ্টার বেশি
রিপোর্টার: শেখ মোহাম্মদ পারভেজ (ঢাকা)
কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন কারাবন্দীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পৃথক সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে দুজন হাজতি ও একজন কয়েদি। দুই হাজতির মৃত্যুর ব্যবধান ছিল ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন—আবুল বাশার (৫৮), আব্দুল কাইয়ম (৬২) ও মো. শাহাদত হোসেন লিটন (৫২)।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কারারক্ষী মো. শহিদসহ কয়েকজন আজ সকালে অসুস্থ অবস্থায় আবুল বাশারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবুল বাশারের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম সেকেন্দার আলী। কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় তিনি বন্দী ছিলেন।
অপর হাজতি আব্দুল কাইয়মকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে হেমায়েত হোসেনসহ কয়েকজন কারারক্ষী সকালে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল কাইয়মের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলাই পদাবাজার গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত দুদু মিয়া। তিনি আটটি মামলায় বন্দী ছিলেন।
এ ছাড়া কয়েদি শাহাদত হোসেন লিটনকে গত ২৮ আগস্ট অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৫০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহাদত হোসেন লিটন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার মামলা ৯(১১)০৬-এর ৩০২, ৩৪ ও ২০১ ধারার মামলায় বন্দী ছিলেন। তার বাড়ি খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত আব্দুল কাদের।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, তিনজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।