
পাবন কাশিনাথপুর কাঁচা মরিচের গায়ে আগুন ঝাল খাওয়ার ইচ্ছা দাম শুনেই মিটে যাচ্ছে
রিপোর্টার: শেখ মোহাম্মদ পারভেজ (পাবনা)
পাবনা কাশীনাথপুর বাজারে জিনিসপত্রের দাম এত বেশি যে পছন্দের খাবার বা ঝালজাতীয় খাবার কেনার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের নেই, তাই দাম শুনেই খাওয়ার শখ বা সাধ মনেই মরে যাভচ্ছে।
পাবনার কাশিনাথপুর নিত্যপণ্যের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে প্রতিদিনের বাজার।
সবজি থেকে মাছ, মাংস থেকে ডিম সবকিছুই ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতা সাধারনের আয়ের সাথে ব্যয়ে নাভিশ্বাস।
ইতোমধ্যে ৪০০ টাকা কেজি, পার হয়ে গেছে কাঁচা মরিচ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) পাবনা, কাশীনাথপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গোল আলু ৩৫ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা,করলা ১০০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, মিস্টি কুমড়া ৫০ টাকা,ধূমা ৫০ টাকা,ঝিঙে প্রতিকেজি ৮০ টাকা, ওল কচু ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা,
মূখি বা কুড়ি কচু প্রতিকেজি ৬০/- টাকা। লেবু ৪০ টাকা, পেঁপে ৪৫ টাকা, শসা ৯০ টাকা, লাল শাক ৮০ টাকা, গাজর ১৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া প্রতিটি লাউ ৬০ টাকা, চাল কুমড়া ৪০ টাকা, কাঁচকলা ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির ডিম ৬০ টাকা হালি, দেশী হাঁসের ডিম ৭০ টাকা হালি, ফার্মের মুরগির ডিম ৪৫ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
ব্রয়লার মুরগি ২৬০ টাকা, সোনালী/কক ৩৪০ টাকা, লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দ্বারা বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম কেজি ৫৫০ টাকা।
খাসির মাংস ১৩'শ, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চলনবিলের দেশি মাছ ৮০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের মাছ প্রকারভেদে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।
ক্রেতা সাধারণ লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বাজার সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন।
কাঁচা তরকারি বিক্রেতা সালাম ও নুরুল জানান, বিরতিহীনভাবে বৃষ্টির কারণে সবজি ক্ষেত নষ্ট হওয়ার ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে তরকারির বাজার স্বাভাবিক হবে বলে তারা জানান।
পাবনা, কাশিনাথপুর ব্যবসায়ীরা জানান, বন্যা এবং বৃষ্টির কারণে প্রতিবছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কাঁচা তড়ি তরকারির দাম বেড়ে যায়। আমরা বাজার স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছি।
কাঁচা বাজার ঊর্ধ্বমুখী হবার ব্যাপারে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনাল্ড চাকমা জানান, আমরা বাজার মনিটরিং করছি।