নিজস্ব প্রতিনিধি:
রাজধানীর গুলশানে ‘মিডিয়া ক্লাব’ নামের একটি বারে অভিযান চালিয়ে শতাধিক নারী-পুরুষকে আটকের সাথে মান্ডা প্রথম গলির দীর্ঘদিন ধরেই একটি সাত তলা ভবনে বসবাস করে আসছে। তার বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ ছিলো এলাকা বাসীর, জানা যায় প্রায় সময় তার বাসায় নানান ধরনের লোকে যাতায়াত করতো। প্রায় সময়ই ডিসকো কাপড় পড়ে বারে যাওয়া আসা করতো দীর্ঘদিন বারে যাতায়াতের পর গত সপ্তাহে একটা পুরুষ বন্ধুর সাথে মিডিয়া ক্লাবে গেলে রাতে অভিযানে আটক হন মান্ডার প্রথম গলির তানিশা আক্তার মিতু ইউটিউবে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার অনেকেই আনন্দ বিরাজ করেন এবং তার আগে পরে যে অপকর্মগুলো করছে সেগুলো নিয়ে এলাকায় নানান কথাবার্তা চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মান্ডা প্রথম গলির এক লোক বলেন তানিশা আক্তার মিতুর চালচলার খুবই বাজে ছিল। এলাকার প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তি দের সাথে চলাফেরা করত সে অনেক সময় বাসায় নানান রকমের আড্ডা জমাতো এবং অপকর্ম করতো।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, তানিসা আক্তার মান্ডার(মিতু) প্রথম গলির একটি আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় বসবাস করেন। তাঁর বাসায় বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অভিযোগ ও অসন্তোষ রয়েছে। কয়েকজনের দাবি, বাসায় লোকজনের যাতায়াতকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তানিসার বাসায় বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে বাড়িওয়ালার কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু অভিযোগের পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁদের দাবি। বাড়াওলা মিতু বাড়াটিয়া হিসেবে ভাড়াটিয়াদের কোন ফর্ম পূরণ করেননি বা বাড়িওয়ালা দেননি এছাড়া কোনো কারণ থাকতে পারে অনেকেই বলছে বাড়িওয়ালার সাথে নাকি মিতুর সম্পর্ক থাকতে পারে। কারন পুরো বাড়ির ভাড়া দারোয়ান তরলেও সপ্তম তলায় যেখানে মৃত্যু বসবাস করেন সে টাকা নাকি বাড়িয়ালা নিজেই তুলেন এ ব্যাপারেও অনেকের সন্দেহ হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বিস্তারিত আসছে খুব শীঘ্রই।