হাসনাত আবদুল্লাহ তার ফেসবুকে লিখেন,
ভদ্রলোকের নাম মনির মেম্বার। বড় শালঘর ইউনিয়নে বাড়ি। আমি যখন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন একটা ভিডিও সামনে আসে।
ভিডিওতে দেখি, এই মনির সাহেবকে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের একজন ব্যক্তি বোঝাচ্ছে,’হাসনাতের দল করে লাভ কী? হাসনাত তো কেন্দ্রে এজেন্টও দিতে পারবে না। ওর দল করা ছেড়ে দেন।’
উত্তরে মনির মেম্বার জানান,যদি হাসনাত দুইটা ভোট পায়, তাহলে একটা হাসনাতের নিজের আর একটা আমার। যদি একটা ভোটও পায়, সেটাও হবে মনির মেম্বারের।
এনসিপির নেতা আরো বলেন,
এই ঘটনার পর মনির মেম্বারের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়।
ভোট জেতার পর কাল তাকে জিজ্ঞাসা করলাম “দেখা করতে আসলেন না কেন?”
মনির মেম্বার বললেন, খেলোয়াড় ট্রফি দেখতে আসে না। খেলোয়াড় ট্রফি জিততে আসে। আমাদের জেতা শেষ, আমরা এখন পরের ম্যাচের ট্রফি জেতার প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে দর্শক দেখতে পারে।
মনির মেম্বার আরো বলেন, আবার যখন আপনার দরকার পড়বে, আপনাকে আমাদের খুঁজতে হবে না। মাঠে যদি একজন মানুষও আপনার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে, বুঝবেন, এই মনির মেম্বার তখনও সেই একই জায়গাতেই আছে।
হাসনাত বলেন,
এইসব মনির মেম্বাররা যারা অনুচ্চারিত, ছোট, নিরব; তবু পথ চিনিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, যারা কোনোরূপ ঘোষণা ছাড়া, দাবি ছাড়া পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন,যাঁরা পৃথিবীর ভিড়ভাট্টা, স্বার্থের ওঠানামার বাইরে গিয়ে, প্রয়োজনে নিঃশব্দে পাশে দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের জেতালেন,তাঁদের প্রতি অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা।
Thanks for breaking this down so well.