• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সনি আকরাম শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়েছে  গোমস্তাপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ ধামইরহাটে নারীর মরদেহ উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র পৃথক অভিযান ভারতীয় মদ ও নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার স্ত্রীকে দিয়ে ভিক্ষার আড়ালে মাদক ব্যবসার চালিয়ে যাচ্ছে শাকিল!ও তার সহযোগী নুরনাহার শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা, পরিদর্শন ও সহায়তা দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী -কোরবান আলী দেলোয়ার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় এডিস মশার লার্ভা নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি বুলবুল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ৪৭নওগাঁ-২ এর সাবেক এমপি সামসুজ্জোহা খান মুগদায় নিষিদ্ধ যুবলীগ ক্যাডার ‘ভায়স্তা হৃদয়’ গ্রেফতার মুগদায় নিষিদ্ধ যুবলীগ ক্যাডার ‘ভায়স্তা হৃদয়’ গ্রেফতার

পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে উদ্বিগ্ন পরিবার, চায় ন্যায়বিচার

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে আবু ছিদ্দিকের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, কিশোরগঞ্জের পূর্ব তারাপাশা এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত বসতভিটার জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন আবুল বাশার নয়ন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ২৪৮৩০ নম্বর আরএস দাগে তাঁদের পৈত্রিক বসতভিটার জমি রয়েছে। জমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে আবুল বাশার নয়ন স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ তাঁদের। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ জমির মূল মালিক ছিলেন রইস উদ্দিন। তাঁর মোট ১২৬ শতাংশ জমির মধ্যে ১১ শতাংশ মেওয়াজান বিবির কাছে বিক্রি করা হয়। পরবর্তী সময়ে মেওয়াজান বিবি ৯ শতাংশ জমি বকুলার কাছে বিক্রি করেন বলে দাবি পরিবারের।

বকুলার মৃত্যুর পর তাঁর ওয়ারিশদের মাধ্যমে জমিটি কয়েক ধাপে বিক্রি হয় বলে জানিয়েছে পরিবারটি। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে নবী হোসেন, জামাল ও মো. মানিক মিয়ার কাছে জমি বিক্রির ঘটনা ঘটে। পরে নবী হোসেন ও জামালের কাছ থেকে আবুল বাশার নয়ন জমি কিনেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মেওয়াজান বিবির কেনা জমির সংশ্লিষ্ট দাগ নম্বর ২৪৮২৯ হলেও বর্তমানে ২৪৮৩০ নম্বর আরএস দাগের জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, ২৪৮৩০ নম্বর দাগের জমিটি রইস উদ্দিনের নিজ বসতবাড়ির অংশ ছিল। এ কারণে জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর, নামজারি ও অন্যান্য ভূমিসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

এ ছাড়া বকুলার সন্তানদের অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জমি বিক্রির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির একটি অংশ পরবর্তী সময়ে ওয়ারিশদের নামে নামজারি করে অন্য একজনের কাছে বিক্রি করা হয়। ওই ক্রেতা জমি বুঝে নিয়ে বর্তমানে ভোগদখলে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবু ছিদ্দিকের নামে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানার দলিলপত্র রয়েছে। মো. আমিন মিয়া, আবু হানিফ ও আব্দুল হাসিমসহ স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জমির মালিকানা ও বিরোধ সম্পর্কে অবগত রয়েছেন বলে দাবি তাঁদের। আবু ছিদ্দিকের স্ত্রী পারুল আক্তারও এ ঘটনায় পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান চেয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জমির দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর, নামজারি ও দখলসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

পরিবারটির প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে তাঁদের পৈত্রিক সম্পত্তি ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category