• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইরানের হাম*লাই কুয়েতের বিমানবন্দর স্থগিত! রহনপুরে ৫২ কেজিতে মণ ধরে আম কেনার দাবি আড়তদারদের, সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রশাসন গোমস্তাপুরে কৃতি খেলোয়াড়ের সংবর্ধনা! বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (মহানন্দা সেতু) টোলমুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন! ভোলাহাটে হেরোইন ও গাঁজাসহ মা-ছেলেসহ একই পরিবারের ৩ জন গ্রেপ্তার! ভোলাহাটে গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন নিখোঁজের তিন দিন পর নদীতে মরদেহ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় স্বজনদের ক্ষোভ! রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন! ভয়েস অফ জুলাই” কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদিত! ভোলাহাটে বিদ্যুতের সর্টসার্কিটের আগুনে ৩টি বসতবাড়ীর ১১টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মিভূত! ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ৩৫ লক্ষাধিক!!

ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক! পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ভেস্তে যেতে বসেছে!

Reporter Name / ১৩২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক! পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ভেস্তে যেতে বসেছে! ধান ও আমচাষীগণের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির আহবান!!

এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক! একমাত্র ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত তেল না থাকায় ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ভেস্তে যেতে বসেছে! ধান ও আমচাষীগণের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি দেয়ার আহবান জানিয়েছেন!!

ভোলাহাটে বর্তমান ভরা ধানের মৌসূম। অর্থকরী ফসল বা ফল আমের পরিচর্যায় জ্বালানী তেলের দরকার। এ দুটি ফসলের লক্ষ্যমাত্রাকে সঠিক রাখতে চাষাবাদের পরিচর্যা লক্ষণীয়। পর্যাপ্ত জ্বালানী তেলের অভাবে ধান ও আম চাষাবাদে ব্যাহত হলে আশানুরূপ ফলনও পাবে না চাষীগণ।

ধান ও আমফলের চাষাবাদ ও ফসলের লক্ষ্যমাত্রায় রাখতে ও পরিচর্যা করতে প্রয়োজন জ্বালানী তেলের। এ জ্বালানী তেল সংগ্রহে লক্ষাধিক চাষীগণ চাতক পাখির মত চেয়ে থাকেন “ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন” এর দিকে। এখানে চাষীদের চাহিদানুপাতে তেল না পাওয়ায় তারা নানা ধরণের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এবং “ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন” টিতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না হলে চাষীগণ চরম বেকায়দায় পড়বে বলে পরিলক্ষিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে “ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন” এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, বর্তমানে সপ্তাহে তেল পাচ্ছি ২৬/২৭ হাজার লিটার। উপজেলার চাষীদের চাহিদানুপাতে প্রয়োজন সপ্তাহে ৫০/৫৬ হাজার লিটার। ধানের ভরা মৌসূমে ও আমগাছের পরিচর্যার জন্য জ্বালানী তেলের চাহিদা প্রচুর। তাই ধানচাষী ও বিশেষ করে আমচাষীদের প্রচুর জ্বালানী তেলের চাহিদানুপাতে সপ্তাহে আসা উল্লেখিত তেল পর্যাপ্ত নয়। সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার তেল সরবরাহ দেয়া হলে ধান ও আমচাষীদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবো বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

এম. এস. আই শরীফ,
১৬.০৪.২০২৬ ইং


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category