• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মান্ডা ৭১ নং ওয়ার্ড পেয়ার আলী গলির আলোচিত গথিত মাদক ব্যবসায়ী রকেট মামুনকে গ্রেফতার করে মুগদা থানার পুলিশ রামদাসপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ পরিবারের হাল ধরতে সৌদি গিয়ে আকামা-চাকরি না পেয়ে জেল খেটে দেশে ফিরলেন তহর আলী ধামইরহাটে আত্রাই নদীত ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু বেড়ায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ড রেইজিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটির অনুমোদন:আহ্বায়ক এ্যাড. দেলোয়ার ও সদস্য সচিব ছবি গোমস্তাপুরে আমবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ৩৪০ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক ভোলাহাটে গোহালবাড়ী ইউনিয়নের শালুকতলা বিলে গভীর রাতে ডিপের ৩ টি ট্রান্সফর্মা চুরি

পরিবারের হাল ধরতে সৌদি গিয়ে আকামা-চাকরি না পেয়ে জেল খেটে দেশে ফিরলেন তহর আলী

Reporter Name / ৬০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

পরিবারের হাল ধরতে সৌদি গিয়ে আকামা-চাকরি না পেয়ে জেল খেটে দেশে ফিরলেন তহর আলী

 

 

শাহিন আলম, স্টাফ রিপোর্টার:
পরিবারের হাল ধরতে এবং দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন তহর আলী। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—সৌদি আরবে গিয়ে আকামা ও কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়েছে তাকে। একপর্যায়ে সৌদি পুলিশ তাকে আটক করে ১৬ দিন কারাগারে রাখে। পরে দেশে ফিরে এসে এখন পরিবার চালানোর পাশাপাশি ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।
ভুক্তভোগী তহর আলী জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে কনফিডেন্স এজেন্সির মাধ্যমে সাদিরুল ও টিপু নামের দুই ব্যক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবে যান তিনি। সেখানে যাওয়ার পর তাকে প্রতিশ্রুত চাকরি দেওয়া হয়নি এবং আকামাও করে দেওয়া হয়নি। ফলে কাজ ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় তাকে।
তহর আলীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকার পর সৌদি পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর ১৬ দিন কারাগারে থাকার পর দেশে ফেরত আসতে বাধ্য হন তিনি।
তিনি বলেন, বিদেশ যাওয়ার জন্য ধারদেনা করে টাকা খরচ করেছি। পরিবারের স্বচ্ছলতার আশায় সৌদি আরব গিয়েছিলাম। কিন্তু চাকরি ও আকামা না পেয়ে উল্টো জেল খেটে দেশে ফিরতে হয়েছে। এখন একদিকে পরিবারের খরচ, অন্যদিকে ঋণের বোঝা—সব মিলিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।
তহর আলী অভিযুক্ত দালালদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, সাদিরুল ও টিপুর মাধ্যমে তিনি প্রতারিত হয়েছেন। উল্টা খেতে হচ্ছে হুমকিও ধমকি।
এদিকে স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করে বলেন, সাদিরুল ও টিপু দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে কাজ করছেন। তাদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকজনের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এসব অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে প্রতারণা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি তহর আলীর মতো ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের অভিযোগ তদন্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে দালাল সাদিরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন তোহরকে পাঠিয়েছিলাম, তাকে কাজ দিয়েছিলাম কিন্তু তহর কাজ করে নাই। আকামার কথা জিজ্ঞেস করলে এড়িয়ে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category