আল-আজহারের প্রশিক্ষণ কোর্সে আমন্ত্রণ
অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হককে স্টার ক্লাবের সংবর্ধনা
জামাল উদ্দীন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
মিশরের বিশ্বখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ১৪৪তম দাঈ, খতীব ও ইসলামিক স্কলারস প্রশিক্ষণ কোর্সে আমন্ত্রণ পাওয়ায় কক্সবাজার জেলার স্টার ক্লাবের সম্মানিত উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
এ উপলক্ষে স্টার ক্লাব ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর উদ্যোগে কক্সবাজারের হোটেল সি ক্রাউনে আয়োজিত হয় বিশেষ এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে স্টার ক্লাবের উপদেষ্টা তারেকুর রহমান, চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সভাপতি আতিকুর রহমান, অর্থ সম্পাদক নুরুল আমিনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কক্সবাজার তরুণ স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
শিক্ষা ও মানবিক সমাজ গঠনে স্টার ক্লাব
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে স্টার ক্লাবের সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, “স্টার ক্লাব তরুণ ও যুবসমাজের একটি প্রিয় সংগঠন। শিক্ষা, মানবতা ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হকের মিশর সফর এবং আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা স্টার ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ ও গতিশীল করবে।
কক্সবাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যয়
স্টার ক্লাবের উপদেষ্টা তারেকুর রহমান বলেন, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষা ক্ষেত্রে কক্সবাজার জেলার উন্নয়নে স্টার ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংগঠনের ধারাবাহিক কার্যক্রম একসময় কক্সবাজারের সুনাম ও মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
‘নিজেদের পরিবর্তন করলেই সমাজ পরিবর্তন হবে’
স্টার ক্লাবের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমরা যদি নিজেদের পরিবর্তন করতে পারি, তাহলে সমাজ পরিবর্তন হবে। আর সমাজ পরিবর্তিত হলে দেশও পরিবর্তিত হবে।”
তিনি বলেন, এই পরিবর্তন হতে হবে সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক, সততা ও মানবিকতায় পূর্ণ একটি শিক্ষিত জাতি গঠনের লক্ষ্যে। সেই উদ্দেশ্যেই স্টার ক্লাব ও এর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হকের মিশর সফরও এই বৃহৎ লক্ষ্য বাস্তবায়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার একটি অংশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা অধ্যক্ষ মাওলানা জিয়াউল হকের মিশর সফরের সফলতা কামনা করেন এবং তাঁর এই অর্জনকে কক্সবাজারের জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়।