• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আফিয়া-ইমরানের শুভ বিবাহ সম্পন্ন জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা, উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনেরা চাটমোহরে ৪ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস ধামইরহাটে মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন এম, পি- এনামুল হক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ধামইরহাটে সড়কে ঝরলো মোটরসাইকেল চালকের প্রাণ। ঢালাও’ ফাঁসি দেওয়া বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেন হাইকোর্ট গোমস্তাপুরে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির আলোচনা সভা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ঢাকা–পাবনা ট্রেনের নাম ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ করার দাবি গোমস্তাপুরে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রাক্-সিদ্ধান্ত গ্রহণ ওরিয়েন্টেশন

মরণফাঁদে পরিণত গোপালগঞ্জ পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কেউ নেই..!

Reporter Name / ২১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

মরণফাঁদে পরিণত গোপালগঞ্জ পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কেউ নেই..!

গোপালগঞ্জ শহরের বুক চিরে এক সময় বয়ে যেত যে স্বচ্ছ নীল জলধারা, আজ তা কেবলই স্মৃতির পাতায়। গোপালগঞ্জ পৌরসভার প্রাণ হিসেবে পরিচিত পাঁচুড়িয়া খালটি এখন দুর্গন্ধ আর দূষণের এক জীবন্ত ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। পৌরসভার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি একসময় টুঙ্গিপাড়ার সাথে নৌপথে যোগাযোগের জন্য একমাত্র মাধ্যম ছিলএবং মধুমতী নদীর সাথে মিলিত হয়ে এই জনপদকে শীতল ও সজীব রাখত। কিন্তু আজ সেই নয়নাভিরাম খালের অস্তিত্ব প্রায় বিপন্ন।

গত ২বছরের মধ্যে খালটির দিকে যেন নজর দেওয়ার কেউ নেই। শহরের সমস্ত বর্জ্য আর ড্রেনের ময়লা সরাসরি মিশছে এই খালে। খালের দুই পাড়ের হাজারো বাসিন্দার জীবন আজ অতিষ্ঠ। পানির দুর্গন্ধ এতই তীব্র যে, বাড়িতে বসবাস করাই দায় হয়ে পড়েছে। ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়া তো পরের কথা, এই খালের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়াও এখন দুঃসাধ্য।

গত দুই বছর ধরে কচুরিপানায় খালটি এমনভাবে ঢেকে গেছে যে, এক বিন্দু খালি জায়গা দেখার উপায় নেই। আর এই জমে থাকা কচুরিপানাই হয়েছে মশার নিরাপদ স্বর্গরাজ্য। দিনদুপুরেও মশার কামড়ে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। ঘরে ঘরে মানুষ মশা বাহিত নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পৌর কর্তৃপক্ষ না ছিটায় মশার ওষুধ, না পরিষ্কার করে কচুরিপানা।

শোনা যায়, খাল সংস্কার ও পরিষ্কারের জন্য যথেষ্ট বরাদ্দ রয়েছে। তবুও কেন এই স্থবিরতা? খালের দুই পাশের বাসিন্দারা আজ জানতে চায়-যাদের সেবার জন্য এই প্রশাসন, তারা কেন নীরব? একটি শহরের প্রাকৃতিক সম্পদকে এভাবে ধ্বংস হতে দেওয়া শুধু কি অবহেলা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো ‘অজ্ঞাত’ কারণ?

পাঁচুড়িয়া খাল শুধু একটি জলাধার নয়, এটি এই শহরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম মাধ্যম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ জনগণের আকুল আবেদন-দ্রুত এই মরণফাঁদ থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক। খালটি পুনঃখনন, কচুরীপানা, ও যত ময়লা আবরজনা,পরিষ্কার করে স্বচ্ছ পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, এক সময়ের শান্ত-শীতল এই খালটি কেবল একটি দুর্গন্ধময় ড্রেন হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে কি..?
পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ চায় এলাকা বাসী..!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category