যু**দ্ধের কারণে অনেক এয়ারলাইনস তাদের ফ্লাইট বাতিল করছে। যেমন, গত ১৮ মার্চ কাতার এয়ারওয়েজ তাদের মধ্যপ্রাচ্যের ৮০% ফ্লাইট বাতিল করেছে।
তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলার থেকে বেড়ে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ফলে এয়ারলাইনসগুলো টিকিটের ওপর বাড়তি চার্জ যোগ করছে।
যু**দ্ধকবলিত আকাশপথ এড়িয়ে চলার জন্য বিমানগুলোকে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে, যা খরচ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
কুয়েত ট্রাভেল ফেডারেশনের প্রধান মোহাম্মদ আল-মুতাইরি জানিয়েছেন, টিকিটের দাম বাড়লেও ৩০০% পর্যন্ত বাড়ার খবরটি সব ক্ষেত্রে সত্যি নয়। এটি কিছুটা বাড়িয়ে বলা হচ্ছে।
আমেরিকা ও ইউরোপের অভ্যন্তরীণ রুটে দাম ২০০-৩০০% বাড়লেও, মধ্যপ্রাচ্যে এই বৃদ্ধির হার সাধারণত ১১% থেকে ১৩৫% এর মধ্যে। তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে তা ৪০০% পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে।
আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসগুলো প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলার লোকসানের মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খরচ কমাতে এয়ারলাইনসগুলো পুরনো বিমান চালানো বন্ধ করছে এবং কম গুরুত্বপূর্ণ রুটে ফ্লাইট কমিয়ে দিচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত বাড়তি খরচের বোঝা যাত্রীদের ওপরেই পড়ছে।