বিএনপির এক কর্মী তাঁর ফেসবুকে লিখেন,
জামায়াতের নেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল অন্য ৩০০ জন এমপির মতোই একজন এমপি। তিনি নাকি তাঁর এলাকায় ৬৫টি গরু কোরবানি দিয়েছেন। একটি গরুর গড় দাম যদি দেড় লাখ টাকা ধরি, তাহলে মোট খরচ এক কোটিরও বেশি টাকা হয়। কোরবানিতেই যদি এক কোটির বেশি টাকা খরচ করা হয়, তাহলে তাঁর কয়েক কোটি টাকার মালিক হওয়ার কথা।
তিনি নির্বাচনের হলফনামা উল্লেখিত টাকার পরিমান নিয়ে প্রশ্ন করে আরো বলেন,
কিন্তু গত নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তাঁর সর্বমোট সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৮১ লাখ টাকা, যার মধ্যে হাতে নগদ ছিল প্রায় ৩০ লাখ টাকা। এমপি হওয়ার পর মাত্র তিন মাসের মধ্যে তিনি কি এমন কোনো স্বর্ণের খনি পেয়েছেন যে কোটি টাকার বেশি খরচ করে কোরবানি দিচ্ছেন?
তিনি আরো জানান, তাহলে কি আমরা ধরে নিতে পারি যে তাঁর প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ তিনি সঠিকভাবে উপস্থাপন করেননি? অথবা তিনি যে কোটি টাকা খরচ করে কোরবানি দিছেন সেটা অবৈধ টাকায়? নাকি অন্য কোনো সংস্থার টাকা মেরে নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছেন? আমি মনে করি, তাঁর এই টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য বের করা দরকার।